আমিও সবার মতো ভাবতাম—ভালো একটা জব করছি, মাস শেষে স্যালারি ঢুকছে, লাইফ তো সেট! কিন্তু ইনফ্লেশন আর দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি যখন গলা টিপে ধরলো, তখন বুঝলাম একটা স্যালারির ওপর পুরো ফ্যামিলির প্রেশার চাপানোটা কতটা ভয়ংকর। এর মধ্যে শুরু হলো লে-অফ আর AI-এর সুনামি। চারপাশের পরিচিত মানুষগুলো চোখের সামনে চাকরি হারাতে শুরু করলো।
আমি বুঝলাম, ডেটা, AI আর ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভল্যুশনের যুগে এসেও যদি মান্ধাতার আমলের মতো শুধু এক্সেল শিট আর রিপোর্টের ওপর ভরসা করে থাকি, তবে আমার পতন ঠেকাবে কে?
এরপর একদিন মনটাকে স্থির করে রিয়েলিটিটা মেনে নিলাম। AI-কে ভয় পাওয়ার বদলে একে স্টাডি করা শুরু করলাম—ChatGPT, Claude আর Gemini-র নাড়িনক্ষত্র ঘাঁটলাম। আমি পুরো ৩৬০ ডিগ্রি বদলে গেলাম। দেখলাম, যে ডিজিটাল প্রোডাক্ট রেডি করতে আগে ১ মাস লাগতো, AI দিয়ে সেটা মাত্র ৩ দিনে নামিয়ে আনা সম্ভব!
আমি আমার আগের "স্যালারি টু সেকেন্ড ইনকাম" ফ্রেমওয়ার্কের সাথে AI-এর এই রকেট স্পিড যুক্ত করলাম। বিলিভ মি অর নট—আগে অফিসে বসে মাসের পর মাস গাধার মতো খেটে যে টাকা আসতো, এখন আমার অটোমেটেড ডিজিটাল প্রোডাক্ট ইকোসিস্টেম থেকে তার চেয়ে বহুগুণ বেশি প্যাসিভ ইনকাম আসে। আমি ঘুমিয়ে থাকি, আর আমার এলিমেন্টর ল্যান্ডিং পেজ ও উকমার্স সিস্টেম আমার হয়ে সেলস জেনারেট করে।
আমি নিজে এই সিস্টেমে সফল হয়েছি বলেই চাই—এদেশের কর্পোরেট চাকরিজীবী আর তরুণরা একটা সিঙ্গেল ইনকামের ভয় নিয়ে আর না বাঁচুক। তাদের জন্যই আমার এই স্পেশাল গাইডলাইন।